Book your perfect holiday stay
বনবাস ইকো ভিলেজ সুন্দরবন: প্রকৃতির কোলে এক টুকরো নির্জনতা সুন্দরবন, পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, যেখানে বাঘের গর্জন আর হরিণের চঞ্চলতা মিলেমিশে একাকার। এই রোমাঞ্চকর বনের ঠিক পাশেই অবস্থিত Banabash Eco Village। পর্যটকদের জন্য এটি কেবল একটি থাকার জায়গা নয়, বরং প্রকৃতির খুব কাছ থেকে সুন্দরবনকে অনুভব করার একটি অনন্য সুযোগ। আপনি যদি যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততা থেকে মুক্তি পেতে চান, তবে বনবাস ইকো ভিলেজ আপনার জন্য একটি আদর্শ রিট্রিট। কেন বনবাস ইকো ভিলেজ সুন্দরবন ভ্রমণে সেরা পছন্দ? সুন্দরবনের ভেতরে বা আশেপাশে অনেক রিসোর্ট থাকলেও Banabash Eco Village তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্যে অনন্য। এর মূল কারণ হলো এর ইকো-ফ্রেন্ডলি বা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্য। বাঁশ, কাঠ এবং ছনের তৈরি কটেজগুলো আপনাকে গ্রামীণ অথচ আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন এক আভিজাত্যের স্বাদ দেবে। ১. প্রাকৃতিক ভিউ: রিসোর্টের জানালা খুললেই নজরে আসবে পশুর নদী অথবা সুন্দরবনের ঘন সবুজ বনানী। এখান থেকে সূর্যাস্ত দেখার অভিজ্ঞতা এক কথায় অতুলনীয়। ২. বন্যপ্রাণীর সান্নিধ্য: অনেক সময় রিসোর্টের ব্যালকনিতে বসেই দূর থেকে হরিণের পাল অথবা নানা প্রজাতির চিত্রবিচিত্র পাখি দেখা যায়। ৩. স্থানীয় সংস্কৃতি ও খাবার: বনবাস ইকো ভিলেজে পরিবেশন করা হয় একদম টাটকা নদীর মাছ এবং সুন্দরবনের খাঁটি মধু। এছাড়া স্থানীয় বাওয়ালী ও মৌয়ালদের জীবনযাত্রা সম্পর্কে জানার সুযোগ রয়েছে এখানে।

Amazing experience and very peaceful place.
Beautiful rooms and great service.
Perfect place for family vacation.
Megh pahar eco resort সাজেকের পাহাড় ও মেঘের মাঝে অবস্থিত। যারা সাজেক ভ্রমণে একটি শান্ত এবং সুন্দর Sajek resort খুঁজছেন তাদের জন্য এটি একটি আদর্শ জায়গা।
আমাদের রুমগুলো আধুনিক সুবিধা দিয়ে তৈরি। অনেক পর্যটক সাজেকে একটি ভালো Sajek hotel খুঁজে থাকেন।
এই রিসোর্ট থেকে সাজেকের পাহাড়, মেঘ এবং সূর্যোদয়ের অসাধারণ দৃশ্য দেখা যায়।
সাজেক ভ্যালির সূর্যোদয় বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর দৃশ্য।
বর্ষা এবং শীতকালে সাজেকে মেঘের সমুদ্র দেখা যায়।
সাজেকের পাহাড় ও মেঘ ফটোগ্রাফির জন্য অসাধারণ।
এটি সাজেক ভ্যালিতে অবস্থিত।
ওয়েবসাইটের বুকিং ফর্ম ব্যবহার করে বুকিং করা যাবে।
হ্যাঁ, এটি পরিবার ও কাপলদের জন্য নিরাপদ।
আপনার ভ্রমণকে নির্ঝঞ্ঝাট, আনন্দদায়ক এবং স্মরণীয় করে তুলতে আমাদের বিশেষজ্ঞ টিপসগুলো পড়ুন।
প্রকৃতির আসল রূপ দেখতে হলে আপনাকে ঋতুভেদে পরিকল্পনা করতে হবে। বর্ষাকালে সাজেক বা সুন্দরবন থাকে সতেজ ও সবুজ, যেখানে মেঘের লুকোচুরি সবচাইতে বেশি দেখা যায়। শীতকালে আবহাওয়া খুব আরামদায়ক থাকে, যা ট্রেকিং বা বনের ভেতর ঘোরার জন্য সেরা সময়। আপনার পছন্দ অনুযায়ী সিজন বেছে নিন।
পাহাড়ি বা বনাঞ্চলে ভ্রমণের সময় হালকা ও আরামদায়ক পোশাক সাথে রাখুন। যেহেতু এটি একটি ইকো-ভিলেজ, তাই সাথে ভালো মানের টর্চলাইট, পাওয়ার ব্যাংক এবং রেইনকোট (যদি বর্ষা হয়) রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। আরামদায়ক হাঁটার জুতো বা গ্রিপ ওয়ালা জুতো সাথে নিতে ভুলবেন না।
শহরের মতো সব সিমের হাই-স্পিড ইন্টারনেট সব জায়গায় না-ও পাওয়া যেতে পারে। সাধারণত টেলিটক বা রবি এই এলাকাগুলোতে ভালো কাভারেজ দেয়। তবে আমরা পরামর্শ দেব, প্রকৃতির মাঝে এসে কিছুটা সময় ডিজিটাল ডিভাইস থেকে দূরে থেকে চারপাশের নিস্তব্ধতা উপভোগ করার।
ভ্রমণে বের হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত ঔষধ (যেমন: গ্যাস্ট্রিক, প্যারাসিটামল বা ব্যথানাশক) সাথে রাখুন। এছাড়া পাহাড়ে বা বনে মশা বা পোকামাকড় থেকে বাঁচতে ওডোমস ক্রিম (Odomos) খুবই কার্যকর। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন এবং সাথে গ্লুকোজ বা স্যালাইন রাখতে পারেন।
বনবাস ইকো ভিলেজ প্রকৃতির একটি অংশ। আমরা অনুরোধ করি, প্লাস্টিক বা অপচনশীল বর্জ্য যেখানে সেখানে না ফেলে নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ফেলুন। স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বা বনজীবীদের সংস্কৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন। উচ্চশব্দে গান বাজানো এড়িয়ে চলুন যাতে বনের পশুপাখি বা অন্য গেস্টদের সমস্যা না হয়।
পাহাড়ি এলাকা বা বনের আশেপাশে পর্যাপ্ত এটিএম (ATM) বুথ পাওয়া যায় না। তাই নিরাপদ ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় নগদ টাকা (Cash) সবসময় সাথে রাখুন। যদিও অনেক জায়গায় বিকাশ বা অনলাইন পেমেন্ট নেওয়া হয়, তবুও নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে ক্যাশ টাকা থাকা সবচাইতে নিরাপদ।