
২০২৬ সালের সবচেয়ে আধুনিক ও আরামদায়ক কক্সবাজার ট্যুর প্যাকেজে আপনাকে স্বাগতম। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের নীল জলরাশি, আকাশছোঁয়া পাহাড় আর মেরিন ড্রাইভের অসাধারণ ভিউ উপভোগ করুন আমাদের সাথে।
কক্সবাজার মানেই প্রশান্তি, আর আমরা সেই প্রশান্তিকে আরও বাড়িয়ে দিতে নিয়ে এসেছি ২০২৬ সালের জন্য বিশেষ ভাবে ডিজাইন করা ট্যুর প্যাকেজ। আমাদের প্যাকেজগুলোতে আমরা শুধু যাতায়াত বা হোটেলের নিশ্চয়তা দিই না, বরং আমরা প্রতিটি ট্যুরিস্টের ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেই। আপনি পরিবার নিয়ে আসুক, কাপল হিসেবে কিংবা বন্ধুদের বিশাল গ্রুপে—সবার জন্যই আমাদের কাছে রয়েছে আলাদা পরিকল্পনা। আমাদের অভিজ্ঞ গাইডরা আপনাকে নিয়ে যাবে কক্সবাজারের এমন কিছু হিডেন স্পটে যা সাধারণ ট্যুরিস্টরা সচরাচর দেখতে পায় না। আমরা নিশ্চিত করি প্রিমিয়াম কোয়ালিটি বাস, বীচ ভিউ হোটেল রুম এবং অথেন্টিক সি-ফুডের স্বাদ।

| প্যাকেজ টাইপ | গ্রুপ সাইজ | প্রাইস প্রতিজন (নন-AC) | প্রাইস (AC + প্রিমিয়াম) | ইনক্লুড | এক্সট্রা সুবিধা |
|---|---|---|---|---|---|
| বেসিক গ্রুপ | ৮-১২ জন | ৪,৫০০ – ৫,৫০০ টাকা | +১,৫০০ টাকা | বাস, হোটেল (শেয়ারিং), খাবার | বাজেট ফ্রেন্ডলি |
| ফ্যামিলি/স্ট্যান্ডার্ড | ৪-৬ জন | ৬,৫০০ – ৭,৮০০ টাকা | +২,০০০ টাকা | AC বাস, প্রাইভেট রুম, BBQ | মেরিন ড্রাইভ সাইটসিয়িং |
| কাপল/হানিমুন | ২ জন | - | ১২,০০০ – ১৫,০০০ টাকা/কাপল | সুইমিং পুল হোটেল, সারপ্রাইজ ডেকোর | ক্যান্ডেল লাইট ডিনার |
| লাক্সারি ট্যুর | ১-১০ জন | ১০,০০০ – ২০,০০০ টাকা | কাস্টমাইজড | ৫-স্টার হোটেল, এয়ার টিকিট | পার্সোনাল কার + গাইড |
প্রাইস সিজন ও ছুটির দিন অনুযায়ী পরিবর্তনশীল। কোনো হিডেন চার্জ নেই।
বুকিং নিশ্চিত করতে কল করুন: +880 1891-120929

কক্সবাজারের প্রাণকেন্দ্র হলো এই পয়েন্টগুলো। এখানে আপনি পাবেন লাইভ মিউজিক, বীচ মার্কেট এবং সারারাত সাগরের ঢেউয়ের গর্জন উপভোগ করার সুযোগ। আমাদের প্যাকেজে লাবণী পয়েন্টের সবচেয়ে কাছের হোটেলগুলো থাকে।

স্বচ্ছ নীল পানি আর হাজার বছরের পুরনো প্রবাল পাথরের সমাহার। জোয়ারের সময় পাথরগুলো যখন পানিতে ডুবে যায়, তখন এক মায়াবী দৃশ্য তৈরি হয়। ইনানীতে আমরা বিশেষ লাঞ্চের ব্যবস্থা রাখি।

পাহাড়ের চূড়ায় ওঠার জন্য এখানে আধুনিক সিঁড়ি রয়েছে। চূড়া থেকে দেখা যায় দিগন্ত বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর। পাহাড়ের গা ঘেঁষে নেমে আসা শীতল ঝরনা আপনার শরীরের ক্লান্তি নিমিষেই দূর করে দেবে।

বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘতম এবং সুন্দরতম মেরিন ড্রাইভ রোড। একদিকে পাহাড় আর একদিকে সমুদ্রের মাঝে দিয়ে খোলা জীপে (চাঁদের গাড়ি) ভ্রমণ হবে আপনার জীবনের শ্রেষ্ঠ রোমাঞ্চকর এক যাত্রা।

এটি একটি আন্তর্জাতিক মানের আন্ডারওয়াটার অ্যাকুরিয়াম। সাগরের তলদেশের বিচিত্র সব প্রাণীদের দেখার সুযোগ পাবেন এখানে। বিশেষ করে বাচ্চাদের জন্য এটি একটি শিক্ষণীয় ও আনন্দদায়ক জায়গা।

স্পিডবোটে করে সাগর পাড়ি দিয়ে মহেশখালী দ্বীপ ভ্রমণ। এখানে রয়েছে আদিনাথ মন্দির এবং ঐতিহাসিক স্বর্ণ মন্দির। এই ভ্রমণে সাগরের ঢেউয়ের ওপর দিয়ে দ্রুতগতিতে যাওয়ার দারুণ এক অভিজ্ঞতা পাবেন।
যাত্রার শুরু: রাত ১০টায় ঢাকা (গাবতলী/সায়েদাবাদ/ফকিরাপুল) থেকে আমাদের বিলাসবহুল নন-এসি/এসি বাস কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হবে। সারারাত যাত্রা শেষে ভোরে পৌঁছে যাবেন বিশ্বের দীর্ঘতম বালুকাময় সৈকতে।
চেক-ইন ও লাঞ্চ: সকালে হোটেলে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা সেরে নিন। কিছুক্ষণ হোটেলের ব্যালকনি থেকে সমুদ্রের দৃশ্য দেখে দুপুরের খাবার খেয়ে নিন কক্সবাজারের কোনো ঐতিহ্যবাহী রেস্টুরেন্টে। দুপুরের খাবারে থাকবে সামুদ্রিক রূপচাঁদা ফ্রাই অথবা ভর্তা-ভাতের ১০+ আইটেম।
বীচ অ্যাক্টিভিটি: বিকেলটা কাটবে সুগন্ধা ও লাবণী বীচে। চাইলে জেট স্কি রাইডিং কিংবা প্যারাসেলিং করতে পারেন। সন্ধ্যায় সূর্যাস্ত দেখে বীচ সংলগ্ন মার্কেটে ঘুরে বেড়ানো এবং রাতে হোটেলে অবস্থান।
খোলা জীপে যাত্রা: সকাল ৮টায় আমরা ছাদখোলা জীপে করে মেরিন ড্রাইভ রোডে রওনা দেব। একদিকে পাহাড় আর একদিকে সাগরের নীল জলরাশি আপনাকে মুগ্ধ করবে। যাত্রাপথে হিমছড়ি ইকো পার্কে স্টপেজ নেওয়া হবে।
পাহাড় ও ইনানী: হিমছড়িতে পাহাড়ের চূড়ায় উঠে আকাশ ও সমুদ্রের মিতালী দেখার পর আমরা চলে যাব ইনানী সৈকতে। সেখানে পাথরের ওপর বসে সাগরের ঢেউয়ের গর্জন শোনা হবে। দুপুরে ইনানীর বীচ-সাইড রেস্টুরেন্টে ডাব ও বিশেষ লাঞ্চ।
বারবিকিউ নাইট: সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরে ফিরে আসার পর রাতে আয়োজন করা হবে স্পেশাল বারবিকিউ ডিনার। খোলা আকাশের নিচে সাগরের মৃদু বাতাসের সাথে ডিনার হবে এক অবিস্মরণীয় স্মৃতি।
বার্মিজ মার্কেট শপিং: শেষ দিনে আমরা যাব বিখ্যাত বার্মিজ মার্কেটে। শুঁটকি, আচার, বার্মিজ লুঙ্গি এবং হস্তশিল্পের জিনিসের জন্য এটি সেরা জায়গা। পরিবারের জন্য কেনাকাটা করার জন্য যথেষ্ট সময় দেওয়া হবে।
রামু ও বৌদ্ধ বিহার: চেক-আউট করার পর আমরা যাব রামুর ঐতিহাসিক বৌদ্ধ বিহার দেখতে। বিশাল ১০০ ফুট লম্বা সিংহশয্যা বুদ্ধ মূর্তি আপনাকে অবাক করে দেবে। এরপর রাবার বাগান ঘুরে দেখা হবে।
বিদায় বেলা: রাতের বাসে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা। সাথে নিয়ে ফিরবেন এক ব্যাগ ভর্তি আনন্দ আর হাজারো সুন্দর মুহূর্তের স্মৃতি। পরের দিন ভোরে আমরা ঢাকা পৌঁছাব ইনশাআল্লাহ।
সবচেয়ে কম দামে প্রিমিয়াম সার্ভিসের নিশ্চয়তা।
কল করুন: +880 1891-120929